1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
০১নং রৌধী চামারী ওয়ার্ডে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন “স্বপন মোল্লা” নওগাঁয় ট্রলির চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু ফেনীর কালিদহে তানিশা হত্যা: ঘাতক নিশানের জবানবন্দী সঠিক নয়,নিহতের ফুফুর দাবী প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্বপন মোল্লা বগুড়ায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাবিবুর রহমান স্বপন মোল্লার তিন ওয়ার্ডে নিজ অর্থায়নে ৫০০ পরিবারের মাঝে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পদন্নোতি পেলেন মাহি! বগুড়ায় চাকরি দেওয়ার নামে ৪৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও সুপারের নামে মিথ্যা অভিযোগ করল কমিটির সভাপতি শিবগঞ্জে ৩৫ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল বিতরণ শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার বিতরন
add

প্রদীপ চাঁদা না পেয়ে একই পরিবারের তিনজনকেই খুন করেন…

দৈনিক আত্রাই নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

একে একে বের হয়ে আসছে কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের কুকীর্তি। চাহিদামতো মাসোহারা না দেওয়ায় রোহিঙ্গা অপবাদ দিয়ে এক আনসার সদস্যসহ একই পরিবারের তিন সদস্য হত্যা করেন প্রদীপ ও তার অনুসারী পুলিশ সদস্যরা। তিনজনকে খুনের পর থেমে থাকেনি প্রদীপের তা-ব।

এরপর অভিযানের নামে ওই পরিবারে চালানো হয় লুটপাট। অগ্নিসংযোগ করা হয় তাদের ঘরে। জীবন বাঁচাতে পরিবারের অন্য সদস্যরা পালিয়ে বেড়িয়েছেন মাসের পর মাস। নিহত আনসার সদস্য নুরুল আলমের ছোট ভাই শাহ আলম বলেন, ‘স্থানীয় থানার সোর্স গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে চুক্তি করে আমার দুই ভাই ও ভাগ্নেকে বন্দুকযুদ্ধের নাম করে হত্যা করেন ওসি প্রদীপ। এরপর তাদের রোহিঙ্গা নাগরিক ও ডাকাত দলের সদস্য বলে অপবাদ দেন।

অথচ তাদের কারও বিরুদ্ধে ডাকাতি কিংবা মাদকের মামলা ছিল না। তিনজনকে হত্যার পর আমাদের ঘনিষ্ঠ আরও ২৬ জনকে দুই মামলার আসামি করেন প্রদীপ। এরপর আমাদের পরিবারে নেমে আসে প্রদীপ ও তার অনুসারীদের নারকীয় যন্ত্রণা।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘ক্রসফায়ার দেওয়ার আগে এসআই মশিউর রহমানকে পাঠান আমাদের কাছে প্রদীপ। জীবন রক্ষা করতে চাইলে পাঁচ লাখ টাকা করে মাসোহারা দাবি করেন তারা। তাদের চাহিদামতো মাসোহারা না দেওয়ায় তিনজনকে হত্যা করা হয়।’

জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার পুলিশের কথিত সোর্স গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে আনসার সদস্য মো. নুরুল আলমের পরিবারের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েকবার সংঘাতের ঘটনাও ঘটে। এ নিয়ে থানায় মামলাও হয় উভয় পক্ষ থেকে। থানার সোর্স গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে সখ্য ছিল টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের। এই সম্পর্ককে পুঁজি করে আনসার সদস্য নুরুল আলমকে হত্যার জন্য মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে ওই সোর্স।

এ বছরের ৬ মে সাহরি খেয়ে মসজিদ থেকে ফজরের নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে আনসার সদস্য নুরুল আলম, তার ভাই সৈয়দ আলম ও কিশোর ভাগ্নে সৈয়দ হোসেন ওরফে মোনাফকে তুলে নিয়ে যান প্রদীপ ও এসআই মশিউর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা। পরে তাদের রঙ্গিখালী পশ্চিম গাজীপাড়ার পাহাড়ের পাদদেশে নিয়ে গিয়ে বন্দুকযুদ্ধের নামে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ। ওই দুটি মামলায় ২৬ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে আনসার সদস্যের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।

জামিন পেলেন শিপ্রা : মেজর (অব.) সিনহা হত্যার ঘটনায় রামু থানায় দায়ের করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন শিপ্রা দেবনাথ। গতকাল রামুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। ওই ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি ও রামু থানায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছিল। রামু থানার মামলায় আসামি করা হয়েছিল স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীকে আইন ও সালিশ কেন্দ্র আইনি সহযোগিতা দিচ্ছে। প্রসঙ্গত, ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার সদরে যাওয়ার পথে বাহারছড়া পুলিশ চেকপোস্টে গাড়ি থেকে নামিয়ে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ৫ আগস্ট নয়জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার দাশসহ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে র‌্যাব। এর আগে ৩ জুলাই স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের তিন শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন ইফাত নূর কক্সবাজারে যান।

‘জাস্ট গো’ শিরোনামে মেজর (অব.) সিনহা যে তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজ করছিলেন, সেখানে কাজ করছিলেন এই তিন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে তাহসিনকে পুলিশ আগেই ছেড়ে দেয়। হত্যাকান্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত এখনো কারাগারে। ৯ দিন কারাগারে থাকার পর গতকাল জামিন পান শিপ্রা দেবনাথ। পুলিশ ১ আগস্ট শিপ্রাকে গ্রেফতার দেখায় এবং পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

দৈনিক আত্রাই

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৪
  • ১২:০৪
  • ৪:৩৮
  • ৬:৪১
  • ৮:০৩
  • ৫:২৪
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি