1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
add

বীরগঞ্জে যথাস্থানে কালিপুজা করতে না দেয়ায় ক্ষোভ, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার্য শ্বশ্মান ঘাট উদ্ধারের দাবিতে কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন ও আন্দোলন অব্যাহত!

রির্পোটারের নাম:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

রনজিৎ সরকার রাজ বীরগঞ্জ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি গত কালিপুজার দিন শ্বশ্মান ঘাট জবর দখলকারী আলহাজ্ব কাওসার আলী গ্যাং বনাম হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে কিন্তু পুলিশি কঠোর অবস্থানের কারনে সংঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছে দু’পক্ষ।

হিন্দু সম্প্রদায়ের শতশত নারী পুরুষ পূর্বের স্থানে কালি পুজা করার জন্য হাড়িপুকুরের দিকে কালি মুর্তিসহ অগ্রসর হতে থাকে প্রতিপক্ষও লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিহত করার প্রস্তুতি নিলে সংবাদ পেয়ে প্রথমে এক প্লাটুন পুলিশ নিয়ে বীরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত ফেরদৌস হোসেন ও পরে আরও এক প্লাটুন পুলিশ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মতিন প্রধান নিজে ঘটনাস্থলে এসে পুকুরের অপর প্রান্তে পুজা করার সুযোগ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সে সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ২৫ নভেম্বর’২০২০ ইং তারিখে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের উপস্থিতিতে সৃষ্ট ঘটনায় সমঝোতা বৈঠক হবে মর্মে জানিয়েছেন ঐ এলাকার হিন্দু ধর্মীয় নেতা ধনঞ্জয় বর্ম্মন, গৌতমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের জবর দখলীয় শতবর্ষি শ্মশ্বান ঘাট উদ্ধারের দাবিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

উপজেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ব্রর্ম্মনভিটা গ্রামের ধনঞ্জয় বর্ম্মন হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে জবর দখলীয় শ্মশান ঘাট উদ্ধারের জন্য সহকারী কমিশনার (ভুমি) বীরগঞ্জ, দিনাজপুর বরাবর আবেদন করেছেন।

জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনকে জোর সুপারিশ করেছেন।

অভিযোগে বলা হয়-মোদাতি গ্রামের ডা. কাসেম আলীর ছেলে আলহাজ্ব কাওসার আলী হাড়ি পুকুরের উত্তর পাড়ে ৬৭ শতাংশ শ্মশ্বানের মধ্যে ৫৭ শতাংশ জমি জরিপে অবৈধভাবে মাঠ পর্চা ও জবর দখল করেছে এবং শ্বশ্মান ঘাট নিশ্চিহ্ন করতে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে রাতারাতি ২টি মিনি পুকুর খনন করেছে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘ শত বছরের পুরাতন শ্বশ্মানে মৃত ব্যক্তিদের দাহ করে আসছিল।
চলতি মাঠ জরিপে ওই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি কাওসার আলী জবর দখল ও পুকুর খনন করেছে।
ফলে শতশত পরিবার তাদের মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ দাহকার্যে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।
ঘটনাটি সকল ধর্মের মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়ে মন্তব্য করেন এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টসহ শান্তি ভঙ্গের কারন হিসেবে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত অবৈধভাবে শ্মশ্বান জবরদখলকারী আলহাজ্ব কাওসার আলী গ্যাংয়ের মুলহোতাসহ অন্যান্যদের সাথে কথা হলে তারা জানান পুকুর ও পুকুর পাড়ের সমস্ত সম্পত্তি তারা পৈত্রিক সুত্রে মালিক ও ভোগ দখলে আছেন।
তারা তাদের জীবদ্দশায় পুকুর পাড়ে কোন মরদেহ দাহ করতে দেখেন নি বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জুয়েলুর রহমান জুয়েল সহ অনেকে বলেছেন সেখানে শ্মশ্বানঘাট ছিল এবং দাহ করা হত। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আলহাজ্ব কাওসার আলী জানান তাদের সেখানে মোট জমির পরিমান কত তা তিনি জানেন না, তবে ইউনিয়ন ভুমি উপ-সহকারী অফিসার তাকে ৬৭ শতাংশ জমি অবৈধ দখলদার মর্মে নোটিশ দিয়ছেন। তাছাড়া জটিলতার কারনে ৪৪ বছর থেকে সমুদয় জমির খাজনা দিতে পারছেন না।

এমনকি আলহাজ্ব কাওসার আলী নিজেও বলেছেন পুর্বের প্রথা অনুযায়ী প্রতিটি পুকুরের এক পাড়ে একটি শ্মশ্মান ঘাট থাকত, যা তানি নিজেই স্বীকার করেছেন।

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১২:০৯
  • ৪:৪৬
  • ৬:৫৮
  • ৮:২৪
  • ৫:১৭
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি