1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আত্রাইয়ে করোনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক প্রদর্শনী আত্রাইয়ে দেয়াল চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু, আহত ৩ আত্রাইয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫২ নওগাঁয় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব আত্রাইয়ে আত্রাই সেতুর দুই পার্শে গোল চত্বর নির্মাণের দাবীতে পথ সভা আত্রাইয়ে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ আত্রাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র মত বিনিময় রাণীনগরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ভাই-ভাতিজি আহত!! থানায় অভিযোগ আত্রাইয়ে বিনামূল্যে ভায়া টেষ্ট পরীক্ষার উদ্বোধন করোনা পরিস্থিতি অবনতি; নওগাঁয় বিধিনিষেধ বাড়ানো হলো আরও এক সপ্তাহ
add

রাণীনগরে কয়েক যুগ ধরে পরিত্যাক্ত শাখা খাদ্যগুদাম

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর রাণীনগরের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পূর্বাঞ্চল আবাদুপুকর। জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম ধানের হাট হচ্ছে আবাদপুকুর হাট। এই অঞ্চলটি ধান চাষের জন্য বিখ্যাত।

আশির দশকে এই অঞ্চলের ধান সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কথা চিন্তা করে তৎকালীন সরকার আবাদপুকুরে একটি টিপিসি (সাময়িক ক্রয় কেন্দ্র) শাখা খাদ্যগুদাম নির্মাণ করেছিলো যা বর্তমানে পরিত্যক্ত। এতে করে এই অঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক তাদের উৎপাদিত ধানের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন যুগের পর যুগ।

উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, আশির দশকে তৎকালীন সরকার উপজেলার আবাদুপুকুর ও তার আশপাশের এলাকার কৃষকদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্দ্যেশ্যে আবাদুপুকুর হাট সংলগ্ন স্থানে সিলমাদার মৌজায় ১ একর ৮৪ শতাংশ খাস জায়গার ওপর টিপিসি (সাময়িক ক্রয় কেন্দ্র) শাখা খাদ্যগুদাম নির্মাণ করে। এটি নির্মাণের কয়েক বছর পর অদৃশ্য কারণে সরকার তা বন্ধ করে দেয় এবং কয়েক বছর পর এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়।

এরপর কয়েক যুগ কেটে গেলেও পরবর্তিতে আর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় বর্তমানে গুদামের ভবনটি ক্ষত বিক্ষত দেহ নিয়ে কোন মতে টিকে আছে। এটি বর্তমানে এই অঞ্চলের মাদক সেবী ও ব্যবসায়ীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আর এর আশপাশের সকল জায়গা লিজ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বসতি।

আবাদপুকুর থেকে রাণীনগর খাদ্যগুদামের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। সরকারের ঘরে ধান দেওয়ার জন্য কৃষকদের এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাড়তি ভাড়াসহ অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে প্রতি বছর। যে কারণে সরকারের ঘরে ধান দেওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা। তাই তারা বাধ্য হয়েই আবাদপুকুর হাটেই কম দামে ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের কাছে ধান বিক্রয় করছেন। এ কারণে কৃষকরা বছরের পর বছর ধানসহ অন্যান্য কৃষি পণ্যের নায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
যদি এই শাখা গুদামটি চালু থাকতো শুধু আবাদপুকুর নয় পাশের বগুড়া জেলার আদমদীঘি, নন্দীগ্রাম উপজেলা, নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা ও নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কয়েক হাজার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান সঠিক মূল্যে সরকারের ঘরে খুব সহজেই সরবরাহ ও সংরক্ষণ করতে পারতো। এতে করে এই অঞ্চলের কৃষকরা অধিক লাভবান হতো।

আবাদপুকুর বাজারের ব্যবসায়ী রুহুল আমীন বলেন, আবাদুপুকুর এলাকায় নতুন করে একটি খাদ্যগুদাম নির্মাণের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। উপজেলার সিংহভাগ ধানই উৎপাদন হয় এই অঞ্চলে। এখানে যদি নতুন করে আধুনিকমানের খাদ্যগুদাম নির্মাণ করা হয় তাহলে উপজেলার একমাত্র খাদ্যগুদামে চাপ অনেকটাই কমতো এবং মজুদের ধারণ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পেতো। যার কারণে দ্বিগুণ সংখ্যক কৃষক সরকারের ঘরে ধান দেওয়ার সুযোগ পেতো। তাই এই বিষয়ে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। যেভাবে প্রতি বছর ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে উপজেলার আবাদুপুকর এলাকায় আরও একটি নতুন খাদ্যগুদাম নির্মাণ করা খুবই প্রযোজন। এতে করে এই অঞ্চলের কৃষকের জীবন মান পাল্টে যাবে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সরকার বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক প্রয়াত স্থানীয় সাংসদ ইসরাফিলের মাধ্যমে আবাদুপুকুরের এই পরিত্যাক্ত শাখা খাদ্যগুদামে নতুন করে একটি খাদ্যগুদাম নির্মাণের জন্য একটি চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। সরকার এটি অনুমোদন এবং অর্থ বরাদ্দ দিলেই খাদ্যগুদাম নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। প্রতি বছর ধানের উৎপাদন যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তার প্রেক্ষিতে উপজেলার আবাদুপুকুর এলাকায় নতুন করে একটি খাদ্যগুদাম নির্মাণ করা খুবই জরুরী। উপজেলার ছোট্ট খাদ্যগুদামে জায়গা সংকট হওয়ার কারণে অনেক সময় ধান গুদামের বাইরে পিল দিয়ে রাখতে হয়। আর নতুন করে একটি খাদ্যগুদাম নির্মাণ করা হলে এই উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার হাজার হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫২
  • ১২:০৯
  • ৪:৪৬
  • ৬:৫৮
  • ৮:২৪
  • ৫:১৭
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি