1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গ্রামবাসীর ব্যাতিক্রম ঈদ উদযাপন বিলুপ্ত প্রায় গ্রামীণ খেলাধুলার আয়োজন শিক্ষানবীস আইনজীবিকে কুপিয়ে জখম দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক মাহিদুল হাসান মাহি! হিল কিনে না দেওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ…………এমপি হেলাল অসহায় আসলামের পাশে দাড়ালেন আহম্মদ আলী মোল্লা ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ৩য় বর্ষের শিক্ষর্থী সাব্বির সরকার এর ঈদ সামগ্রী বিতরন নাটোরে ৩‌১টি শ্রমিক সংগঠনের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান ঈদের আগে ঈদ আনন্দে পথশিশুরা,পেল নতুন পিরান রাণীনগরে আনন্দ ভাগাভাগি করতে সিএনজি শ্রমিকদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
add

সরকারের দেওয়া উৎমা আদর্শগ্রাম ধ্বংসে মরিয়া এক চক্র

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

২০০২ সালে বনশ্রী আদর্শগ্রাম নামে ২২.৭৫ একর জায়গা নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা গ্রামে স্থাপিত হয় গৃহহীনদের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প। ১শ’টি পরিবারকে দেওয়া সরকারি এই ২২.৭৫ একর জায়গার প্রতি শুরু থেকেই লুলুপ দৃষ্টি ছিল স্থানীয় পাথরখেকু চক্রের। যে কারণে ২০০৫ সালে ১১ পাথরখেকুকে চিহ্নিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে কোম্পানীগঞ্জ ভূমি অফিস। বর্তমানে এই চক্রের মূল হোতা আনোয়ার হোসেন লালা ও জমসিদ আলীর নেতৃত্বে আবারও শুরু হয়েছে সরকারি এই জায়গা থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন। সরকারের দেওয়া এ জায়গায় বসবাস করেন নিরীহ মানুষ। তাদের জনবল বা আধিপত্য না থাকায় ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক এই চক্রটি দখল করে নিচ্ছে তাদের জমি। যার ফলে উৎমা বাজারের সাথে গ্রামের সংযোগ সড়ক প্রায় বিলীন হওয়ার পথে। পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে ঝুঁকির মুখে।

এদিকে গত সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম উৎমা এলাকা পরিদর্শনের খবর পেয়ে রাতারাতি ১২ ঘন্টার ভিতর এই এলাকায় রোপণ করা হয় কলাগাছ। সরেজমিনে দেখা যায় উৎমা ছড়ার পশ্চিম পাশে লিজ বহির্ভুত জায়গা থেকে পাথর উত্তোলন করে যে গর্ত হয়েছিল, সেগুলো ভরাট করে রাতারাতি কলাগাছের বাগান তৈরি করা হয়েছে। আবার একদিনের এইসব কলাগাছে ঝুলছে কলার ছড়ি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জোরপূর্বক তাদের বাড়ি থেকে এসব কলারগাছ কেটে এনে এখানে রোপণ করা হয়েছে। রোববার রাত ৯টা থেকে সকাল পর্যন্ত এইসব কলাগাছ রোপণ করা হয়। যাতে জেলা প্রশাসক দেখলে বুঝতে না পারেন এখান থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জেলা প্রশাসকের অফিসে পাঠানো প্রতিবেদনেও স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, প্রভাবশালী পাথরখেকুদের দ্বারা জোরপূর্বক সরকারি এসব জমি দখল করে উচ্ছেদ করা হচ্ছে বাসিন্দাদের। আর এই পাথর খেকুদের চিহ্নিত করে মামলা করেছিল ভূমি অফিস।

এই চক্রটি বনশ্রী আদর্শগ্রাম ধ্বংসের পাশাপাশি রাতে ও দিনে উৎমা কমলা বাগান সীমান্ত ও মাজেরগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন করছে। আর এইসব এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন ও পরিবহন করতে সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বিজিবি সদস্যদের বিরুদ্ধে। বিজিবি উৎমা ক্যাম্প থেকে আদর্শগ্রামের দূরত্ব ৩/৪শত গজ। আবার এই আদর্শগ্রামের সীমান্তে রয়েছে বিজিবির টহল পোস্ট। অন্যদিকে কমলা বাগানের দূরত্ব ৬/৭শত গজ হবে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন লালা ও জমসিদ আলী প্রতিদিন কমলা বাগান সীমান্তের এপার ওপার থেকে প্রায় ৮০-১০০গাড়ি পাথর উত্তোলন করে থাকেন। ২২০ ফুটের এসব গাড়ি বিক্রি হয় ২১ হাজার টাকায়। প্রতি গাড়ি থেকে স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা পেয়ে থাকেন ২ হাজার টাকা আর আনোয়ার হোসেন লালা বিজিবির মেস ভাতার নাম ভাঙ্গিয়ে নেন আড়াই হাজার টাকা। এভাবে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি হয় আদর্শগ্রামের মঙ্গাই মিয়ার পুত্র আনোয়ার হোসেন লালার মাধ্যমে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পিলারের কাছ থেকে হাইড্রলিক ট্রাক দিয়ে পাথর পরিবহন করা হলেও বিজিবি তাতে বাধা দেয় না। মাঝে মধ্যে লোক দেখাতে ছোট ৩৫ ফুটের ট্রলি ধরে ক্যাম্পে এনে পাথর রেখে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।

সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসক উৎমা আদর্শগ্রাম এলাকার ১২৫৭- 3S পিলার থেকে 5S পিলার এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করে তাদের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সরেজমিনে উৎমা ছড়ার পূর্ব পাড়ের বাঁধ থেকে পাথর উত্তোলন করার চিহ্ন দেখতে পান। সীমান্ত এলাকা ও লিজ বহির্ভুত এসব যায়গা থেকে যাতে আর কেউ পাথর উত্তোলন করতে না পারে সে জন্য তিনি উপস্থিত বিজিবি সদস্যদের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে উৎমা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডারকে ফোন দিলে তিনি সরেজমিন গিয়ে কথা বলার জন্য আহ্বান করেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ এরশাদ মিয়া বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি। সরকারি জমি ধ্বংস করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না।

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০১
  • ১২:০৪
  • ৪:৩৮
  • ৬:৪৩
  • ৮:০৬
  • ৫:২২
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি