1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাবিবুর রহমান স্বপন মোল্লার তিন ওয়ার্ডে নিজ অর্থায়নে ৫০০ পরিবারের মাঝে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পদন্নোতি পেলেন মাহি! বগুড়ায় চাকরি দেওয়ার নামে ৪৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও সুপারের নামে মিথ্যা অভিযোগ করল কমিটির সভাপতি শিবগঞ্জে ৩৫ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল বিতরণ শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার বিতরন পাবনা অঞ্চলের আওতাধীন ব্র্যাক সাঁথিয়া শাখা অফিসের ২০২০ কোহর্টের ইউপিজি সদস্যের ছোট ছেলে-মেয়েদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক বিতরণ! সিংড়ায় ভূমিহীনদের গৃহ প্রদানের লক্ষে গণশুনানী মাত্র ২ লক্ষ টাকা হলেই পঙ্গুত্ব থেকে মুক্তি পাবেন বনপাড়া কাউন্সিলর সমেজান বড়াইগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা
add

২১ টি বুলেট বঙ্গবন্ধুর শরীরে…

দৈনিক আত্রাই রির্পোটার
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরের দিন ঘাতকরা মরদেহ নিয়ে যায় তার জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায়। সেই কফিন প্রথম খুলেছিলেন আইয়ুব আলী নামের এক কাঠমিস্ত্রি।

সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে “বঙ্গবন্ধু আদর্শ ঐক্য পরিষদ” এর ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জনাব হযরত মাওলানা এস,এম সাইফুদ্দিন সালেহী (লামনার মাওলানা) বলেন, ‘‘৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে রিলিফের কাপড় পড়িয়ে, বাবা মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছিল জাতির পিতাকে।’’

সাংবাদিক কে তিনি ইতিহাস থেকে আরো জানান, ঐ দিনে উপস্থিত থাকা আইয়ুয় আলীর কথা । তিনি ইতিহাস থেকে জানেন যে কাঠমিস্ত্রি আইয়ুব আলী বলেন, ‘১৬ আগস্ট আনুমানিক বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মরদেহ কফিনে করে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে নিজ জন্মভূমি জেলা গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ী টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে আসা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় ৫-৭ জন লোক ডেকে তাদেরকে দিয়ে হেলিকপ্টার থেকে বঙ্গবন্ধুর কফিন নামায়।’

‘‘তারপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক বাড়ীতে। কফিন খোলার জন্য ডাকা হয় আমাকে। কফিনের ভিতরে রক্তাক্ত সাদা পাজামা-পাঞ্জাবী পরা জাতির জনকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ২১টি বুলেটের চিহ্ন দেখে আঁতকে উঠেছিলাম আমিসহ উপস্থিত সবাই।’’

সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে আজও তার গা শিউরে উঠে জানিয়ে আইয়ুব আলী বলেন, ‘সেনাসদস্যরা গোসল না করিয়ে বঙ্গবন্ধুর দাফন কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করতে বলেছিল। কিন্ত ইমাম সাহেব তাতে রাজী না হওয়ায় সেনাসদস্যরা দাফনের জন্য আধাঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়। তাদের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছিল।’

দাফনে অংশ নেয়া এবং বঙ্গবন্ধুর মরদেহ গোসল করানো ইদ্রিস আলী কাজী ও কাঠমিস্ত্রি আইয়ুব আলীসহ আরও অনেকে বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর বাড়ীর পাশের একটি পুকুর থেকে ভাঙ্গা বালতিতে করে পানি এনে ৫৭০ সাবান দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গোসল করানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘‘এরপর রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে বঙ্গবন্ধুর দেয়া রিলিফের কাপড় দিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়। সেদিন শেষবারের মত প্রিয় মানুষটিকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তার দুপাড়ে ও বাড়ীর চারপাশে ভিড় করেছিল শত শত মানুষ। কিন্ত দু:খজনক হলেও সত্য যে, সে সময়কার সেনাসদস্যরা তাদের প্রিয় মানুষটিকে এক পলক দেখতে দেয়নি। তবে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে পেরেছিল কেবলমাত্র দাফনে অংশ নেয়া ২৫-৩০ জন মানুষ।’’

জানাজা শেষ করে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

গোপালগঞ্জের সবুজ-শ্যামল গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায় চির নিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করে ঘাতকরা।

সে সময় বিদেশ থাকায় ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

লামনার মাওলানা শেষে আরো বলেন ধর্ম মন্ত্রনালয় কর্তৃক আয়োজিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইমাম প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে, আমার জীবনে একবার ঢাকা বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়ি যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত পাঞ্জাবী, লুঙ্গী, দেয়ালে বুলেটের দাগ সহ বাড়িটির স্মৃতি দেখে কান্না ধরে রাখতে পারি নাই, মনের অজানতে চলে আসে দুচোখে অশ্রু, ভাবকে কষ্টলাগে ঘাতকরা ছিলো কত নিষ্ঠুর যার কারনে স্বাধীন দেশ পেলাম তাকে স্বাধীন দেশে বাচতে দিলো না।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন, বঙ্গবন্ধুর কারনে আমরা স্বাধীনদেশ পেয়েছি, পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা, এদেশের মাটির নিচে তিনি শুয়ে আছেন।

যারা ২১ টি বুলেট বঙ্গবন্ধুর শরীরে দিয়ে ছিলো তারা সত্যি নরপশু,জঘন্য ঘাতক,তারা এদেশের মাটিতে শুয়ে থাকতে পারে না কারন এ মাটিতে শুয়ে আছে বঙ্গবন্ধু। তাই তাদের লাশ কবর থেকে ক্রেন দিয়ে তুলে পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হোক।
তাহলে মনকে শান্তনা দিতে পারবো যে মাটির নিচে বঙ্গবন্ধু শুয়ে আছে সেখানে তার খুনিদের লাশ নাই।

বঙ্গবন্ধু সহ সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি, মহান আল্লাহ তাদের কে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুক, আমিন!!!

দৈনিক আত্রাই/এস.আর

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৮
  • ১২:০৫
  • ৪:৩৭
  • ৬:৩৯
  • ৭:৫৯
  • ৫:২৭
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি