1. Saifuddin8600@gmail.com : S.M Saifuddin Salehi : S.M Saifuddin Salehi
  2. Journalistmmhsarkar24@gmail.com : Md: Mahidul Hassan Mahi : Md: Mahidul Hassan Mahi
  3. rajuahamad717@gmail.com : Md Raju Ahamed : Md Raju Ahamed
  4. rakibulpress51@gmail.com : Rakibul Hasan : Rakibul Hasan
  5. rajruhul@gmail.com : মোঃ রুহুল আমীন : মোঃ রুহুল আমীন
  6. prosajjad@gmail.com : Sazedur Rahman Sajjad : Sazedur Rahman Sajjad
  7. shorifulshorif01@gmail.com : Md shoriful Islam Shorif : Md shoriful Islam Shorif
  8. dailyatrai@gmail.com : Md Rasel Kobir : Md Rasel Kobir
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পদন্নোতি পেলেন মাহি! বগুড়ায় চাকরি দেওয়ার নামে ৪৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও সুপারের নামে মিথ্যা অভিযোগ করল কমিটির সভাপতি শিবগঞ্জে ৩৫ জন ছাত্রীর মাঝে সাইকেল বিতরণ শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার বিতরন পাবনা অঞ্চলের আওতাধীন ব্র্যাক সাঁথিয়া শাখা অফিসের ২০২০ কোহর্টের ইউপিজি সদস্যের ছোট ছেলে-মেয়েদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক বিতরণ! সিংড়ায় ভূমিহীনদের গৃহ প্রদানের লক্ষে গণশুনানী মাত্র ২ লক্ষ টাকা হলেই পঙ্গুত্ব থেকে মুক্তি পাবেন বনপাড়া কাউন্সিলর সমেজান বড়াইগ্রামে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা শেরপুরের কুসুম্বী ইউনিয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান কৃষকের ধান কেটে ঘড়ে পৌছে দিলো সৈয়দ বেলাল হোসেন পাবেল সহ পটুয়াখালী জেলা ছাত্র লীগ
add

ভাই বোনের ভালোবাসা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

নাসিম উদ্দীন নাসিম: গত শুক্রবার দুপুরে বাসার সবাই চমকে গেছে ছোটবোন নাসরিনের কথায় । আমার বাবা মা হারা চার ছোটবোনের মধ্যে মেজোটার হঠাৎ করেই বিয়ের কথাবার্তা পাকা হয়ে গেছে ।
বাবা মা তো নেই তাই মুরব্বীর দায়িত্ব পালন করলো স্নেহের ছোট ভাই খান মামুন ,সাব্বির হোসেন মিতুল আর সাগর ।
স্নেহের মুরব্বীরা………..নাসরিনকে ডেকে বলতেছে
“আপু আমরাতো আপনার বিয়ে ঠিক করতেছি, আপনার কোন আপত্তি আছে?”
—ভাইয়া সবকিছু দেখছে?
—হ্যাঁ, নাসিম ভাই সবই দেখছে। ছেলের পরিবার, বাড়িঘড় সবই।
—ভাইয়া আমাকে নদীতে ফেলে দিলে আমি সেখানেই হাসতে হাসতে চলে যাব। আমাকে যদি ভাইয়া রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দেয় আমি তাতেও রাজি।

এই কথা শুনে সবাই চুপ হয়ে গেল। আমিও দুই চোখের পানি আটকিয়ে রাখতে পারিনি। তাড়াতাড়ি সেখান থেকে সরে আসছি। তবুও কাঁদতেছি। খান মামুন এসে বলল…
— ভাই আপনার কি হইছে?
— কিছুনা।
— এটাতো আপনার গর্ব করার কথা, আপনার তিনটা বোন আপনাকে কতটা মেনে চলে কতটা নির্ভর করে একটাবার ভেবে দেখুন। আপনার এক যুগের কষ্ট বৃথা যায়নি ।।

— সেজন্যইতো কাঁদি, পরের ঘরে গেলে এই মায়াটা থাকবেতো?
— পাগল ভাই আমার।

নাসরিনসহ আমার অনেক বছরের ছোট।।একই সাথে বেড়ে ওঠা। চারটি বোনই আমার ছোট।একমাত্র ভাই হিসেবে বোনগুলোর আমি নয়নের মনি। বুদ্ধি হবার পর থেকে কোনদিন এক গ্লাস পানি ঢেলে খেতে হয়নি আমার। সব সময় আমার খেদমতেই ব্যস্ত ছিল তারা। সেবাযত্নের কমতি ছিল না।। এক কথায় ভাই বলতে পাগল বোনগুলো।। ছোটবেলা থেকে নাসরিন ও বৃষ্টি নিয়মিত নামাজ আদায়, কোরআন তেলেওয়াত এবং পুরো রমজান রোজা রাখে। প্রতিটি নামাজেই আল্লাহর দরবারে হাত তুলে ভাইয়ের জন্য দোয়া করে।। আমি যদি বলি এতো দোয়া করে কি হবে?
তখন তারা একযোগে বলে, আপনি ছাড়া আমাদের আছে কে দুনিয়ায় ? আমাদের সৌভাগ্য আপনার মতো বড় ভাই পেয়েছি। মানুষ জন্মদাতা বাবা মাকে দেখেনা। আর আপনি চারটি বোনকে সন্তানের মতো লালন পালন করছেন।। বাবা মায়ের অভাব বুঝতে দেননি। আল্লাহ আমার ভাইয়াকে দীর্ঘজীবন দান করুন

আজ থেকে ১৭ বছর আগে বাবা মারা যায়। সম্পদ বলে মাথা গোঁজার ঠাঁই বসতভিটা ছাড়া কিছুই ছিল না। যেটুকু ছিল সেটাও বাবা মায়ের ধার চুকাতে গিয়ে বিক্রি করতে হলো। পরিবারের বড় ভাই হিসেবে বিবেকের তাড়নায় দায়িত্ব নিলাম। পিঠাপিঠি বোনটি নিজের পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করে বিদায় নিলো।। তখন তিনটি বোনের৷ সব দায়িত্ব আমার উপর বর্তালো। তখন আমি অনার্স এ পড়ি। ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। পাশাপাশি নাটোরের স্থানীয় দৈনিক প্রকাশের শিক্ষানবিশ সাংবাদিক। বেতন ভাতা নেই, বিঞ্জাপন কালেকশান করে যা কমিশিন পেতাম আর মাঝে মাঝে বাল্যবন্ধুদের সাথে টেন্ডারে অংশ নিতাম। নিকুজেশন হলে যা পেতাম তা দিয়েই কোনমতো সংসার চলতো। এরপরে রাজশাহীর সোনালী সংবাদ পত্রিকায় নাটোর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ৷ দিলাম। সারাদিন জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যেতাম এডের জন্য। ইউনুস ভাই ছিল পত্রিকাটির বানিজ্যিক কর্মকর্তা। তিনি আমাদের অবস্থার কথা জানতেম। তাই তিনি ৫০ ভাগ কমিশন দিতেন। এটার উপর নির্ভর করে৷ শহরের মধ্যে গ্রাম তেবাড়িয়া উত্তর পাড়ায় ২ হাজার ৫০০ টাকায় দুই রুমের একটি বাসা নিলাম। আমার সেই করুন অবস্থায় ছোট ভাই হাজী মামুন পাশে এসে দাবাসার আসবাবপত্র কেনার জন্য মধু পোদ্দারের কাছ থেকে এক লাখ টাকা সুদে নিয়ে দিলেন। সেটা দিয়েই শুরু হলো চার সদস্যের পথচলা। তিনটা বোনই ছোট লেখাপড়া করে। সব কিছুই কিনতে হতো। টাকা বাচানোর জন্য পায়ে হেটেই পুরো শহর চষে বেড়াতাম।। সে সময় বাল্যবন্ধুরা বলতো কিভাবে বোনদের চালাবি। নিজে চলবি। সে সময় বাল্যবন্ধু জিএস জহির বলেছিল, মামা চিন্তা করিস না এতিমদের জন্য আল্লাহ আছে। সব ঠিক হয়ে যাবে। তুই যা করছিস আমরাও করতে পারবো না। প্রতিমাসে অন্ততপক্ষে দুইবার ব্যাগ বোঝাই নবী ভাইয়ের পুকুরের মাছ দিয়ে যেতো।৷ সব সময় পাশে থেকে ভরসা যুগিয়েছে।আর আমার তিন বোন দিয়েছে সাহস দিয়েছে। কোন দিন মুখ ফুটে বলেনি ভাইয়া, আমার এটা ওটা লাগবে।। কিভাবে আগামীর দিনগুলো চলবে ভাবতেই চোখে অন্ধকার দেখছিলাম। তারপরও বাবা মা হারা বোনগুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে নিশ্চুপ থেকেছি। সারাদিন টৈ টৈ করে ঘুরে বেড়াই আর ভাবি মাসের কটা দিন কিভাবে যাবে।। সেই চরম দুঃ সময়ে বোনগুলো ছিল আমার পাশে থেকে সাহস যুগিয়েছে। নামাজে বসে দোয়া করেছে। সেই চরম দুঃসময়ে পাশে বটবৃক্ষ হিসেবে বড় ভাইয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন আমার অভিভাবক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু পাশাপাশি শ্রদ্ধেয় বসুন্ধরা গ্রুপের মাননীয় চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবাহান স্যার, গ্রুপের উপদেষ্টা তৈয়ব স্যার আর পাশাপাশি আমার অভিভাবক সমতুল্য বড় ভাই বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ভাই আমার পরিবারের জন্য যা করেছে তা রক্ত দিয়েই শোধ করতে পারবো না। আমার যে বোনটার বিয়ে হয়ে গেল সেই আমাকে না জানিয়ে বাচ্চাদের প্রাইভেট পরিয়েছে। সংসারের সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে অভাব কোনদিন বুঝতে দেয়নি। অনেক ত্যাগি আমার ছোট বোনটি।
নাসরিনের বিয়েটা হঠাৎ করেই ঠিক হয়ে গেল। কোন প্রস্তুতি ছিলনা আমাদের। সেই সময় দেবদূতের হাজির হলো আমার আরেক অভিভাবক, আমার কলিজার ভাই , আমার জানের ভাই আহম্মেদ সেলিম ভাই। সুখে দুখে যে মানুষটার দরজা আমার নাসিমের জন্য সব সময় খোলা। আমার গর্বের ভাই আহম্মেদ সেলিম ভাই বোনটির বিয়েতে উপস্থিত থেকে উকিল দিলেন। বিয়ের সব দায়িত্ব তিনি একাই পালন করলো।। এই মানুষটার ঋণ আমি রক্ত দিয়েই শোধ করতে পারবো না। ১ দিনের সিদ্ধান্তে বিয়ে হওয়ায় আমার বাল্যবন্ধুদের মধ্যে যারা আমার পরিবারিক সদস্য দেওয়ান শাহীন ভাই,বাবুল চৌধুরী ভাই,ভিপি তুষার,জিএস জহির, নয়ন,আসলাম, মুসা,রহিদ,খন্দকার মামুন সাবেক কমিশনার ডাম্বেল, জিএস সোহেল, রাসেল রনি,ডালিম তালুকদার চাচা,কাউন্সিলর সোহাগ কে সময়ের অভাবে বলতে পারিনি সেজন্য খারাপ লাগছে।।
তারপরও সেই বোনটা যখন আজ বলল ভাই যেখানে বিয়ে দেয়। সেখানেই হবে। আর দুইটা অবিবাহি বোনের একই কথা বললো। তখন বুকটা কেঁদে ওঠল। বোনগুলো কত বড় হয়ে গেছে, পরের ঘরে চলে যাবে আমাদের ছেড়ে।

add

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরও খবর...
add
add

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৮
  • ১২:০৫
  • ৪:৩৭
  • ৬:৩৯
  • ৭:৫৯
  • ৫:২৭
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত /দৈনিক আত্রাই এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি